সুরা ইয়াসিনের বাংলা উচ্চারণসহ ফজিলত
আপনাদের ব্লগ- Web Tech Info- এ স্বাগত জানাই ! আমি Zakir Hossain- ভালোলাগা থেকে লেখা লেখি শুরু করি। নিত্য নতুন প্রযুক্তিগত সমাধান জানার চেষ্টা করি এবং সবার সাথে শেয়ার করি। আমি ২০১৫ সাল থেকেই যুক্ত আছি টেকনোলোজির দুনিয়ায়। আমি পেশায় একজন চাকুরীজিবী। বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করছি। ব্লগ পড়তে ও আর্টিকেল লিখতে পছন্দ করি। আমার অবসর সময়ে ব্লগে বিভিন্ন টপিক লিখে অনলাইনে শেয়ার করে থাকি। আমার ব্লগিংয়ের অন্যতম উদ্দেশ্য আপনাদের কাছে শিক্ষামূলক ও প্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ার করা এবং ওয়েবকে তথ্য সমৃদ্ধ করা। পাবনা জেলাধীন ফরিদপুর থানার ডেমরা ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করি। ছোট বেলা ডেমরা ইউনিয়নে আমার লেখাপড়ার সময় কাটে। বর্তমানে চাকরীর সুবাদে ঢাকায় অবস্থান করছি। আমি সব সময় নতুন কিছু শিখতে এবং অন্যকে শিখাতে পছন্দ করি। যদিও আমি হিসাব বিজ্ঞানে অনার্স মাস্টার্স করে হিসাব বিভাগেই চাকরী করছি তথাপিও অবসর সময়ে ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ওয়েবসাইট ও ব্লগিং সম্পর্কে একটা ভাল অভিজ্ঞতা অর্জন করার চেষ্টা করছি। আমি কম্পিউটারের যে বিষয়টি পছন্দ করি সেটি হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং ওয়েব ডিজাইন তা সত্ত্বেও আমি বর্তমানে একাউন্টিং ফ্রিলাঞ্চিং নিয়ে কাজ করছি । ব্লগিং অভিজ্ঞতা দিয়ে আমি সব সময় আমার ব্লগটিকে ভাল অবস্থানে রাখার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করি।
Surah Al-Fajr 89 | Arabic Bangla and English pronunciation with video Very Emotional | Killer Recitation | Hani Rifai |
বাংলা অনুবাদ সহ সূরা আল-ফজর
Video | Very Emotional | Killer Recitation | Hani Rifai | Bangla
আপনাদের ব্লগ- Web Tech Info- এ স্বাগত জানাই ! আমি Zakir Hossain- ভালোলাগা থেকে লেখা লেখি শুরু করি। নিত্য নতুন প্রযুক্তিগত সমাধান জানার চেষ্টা করি এবং সবার সাথে শেয়ার করি। আমি ২০১৫ সাল থেকেই যুক্ত আছি টেকনোলোজির দুনিয়ায়। আমি পেশায় একজন চাকুরীজিবী। বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করছি। ব্লগ পড়তে ও আর্টিকেল লিখতে পছন্দ করি। আমার অবসর সময়ে ব্লগে বিভিন্ন টপিক লিখে অনলাইনে শেয়ার করে থাকি। আমার ব্লগিংয়ের অন্যতম উদ্দেশ্য আপনাদের কাছে শিক্ষামূলক ও প্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ার করা এবং ওয়েবকে তথ্য সমৃদ্ধ করা। পাবনা জেলাধীন ফরিদপুর থানার ডেমরা ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করি। ছোট বেলা ডেমরা ইউনিয়নে আমার লেখাপড়ার সময় কাটে। বর্তমানে চাকরীর সুবাদে ঢাকায় অবস্থান করছি। আমি সব সময় নতুন কিছু শিখতে এবং অন্যকে শিখাতে পছন্দ করি। যদিও আমি হিসাব বিজ্ঞানে অনার্স মাস্টার্স করে হিসাব বিভাগেই চাকরী করছি তথাপিও অবসর সময়ে ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ওয়েবসাইট ও ব্লগিং সম্পর্কে একটা ভাল অভিজ্ঞতা অর্জন করার চেষ্টা করছি। আমি কম্পিউটারের যে বিষয়টি পছন্দ করি সেটি হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং ওয়েব ডিজাইন তা সত্ত্বেও আমি বর্তমানে একাউন্টিং ফ্রিলাঞ্চিং নিয়ে কাজ করছি । ব্লগিং অভিজ্ঞতা দিয়ে আমি সব সময় আমার ব্লগটিকে ভাল অবস্থানে রাখার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করি।
ঋণ থেকে মুক্তি পাওয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ দোয়া | যে দোয়া পড়লে উহুদ পাহাড় সমান ঋণ থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ
বিভিন্ন সময় আমরা অনেকেই ঋণগ্রস্ত হই। এ ঋণ প্রকৃতপক্ষে কারো জীবনের ক্ষেত্রেই সুখের খবর নয়। আর তাই জীবনে সব সময়ই আমাদের উচিত ঋণ থেকে মুক্ত থাকা। ঋণ থেকে মুক্তিলাভের জন্য হাদিস শরিফে বিশেষ ও কার্যকরি কিছু দোয়া বর্ণিত হয়েছে।
ঋণ যথারীতি পরিশোধের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঋণ প্রদান করে ঋণদাতা গ্রহীতাকে উপকার ও অনুগ্রহ করে থাকে। কিন্তু ঋণ পরিশোধ কোনো অনুগ্রহ নয়, বরং ঋণগ্রহীতার ওপর এক অবধারিত দায়িত্ব। ঋণগ্রহীতার ওপর এটি ঋণদাতার অধিকার। এমনকি যদি ঋণগ্রহীতা ঋণ পরিশোধ করার পূর্বে মারা যায়, তাহলে কাফন-দাফনের পর প্রথমেই তার রেখে যাওয়া সম্পদ থেকে ঋণ পরিশোধ করে দিতে হবে। ঋণ পরিশোধের পর যদি অতিরিক্ত কিছু থাকে, তাহলেই কেবল তার ওয়ারিশদের মাঝে তা বণ্টন করা হবে এবং তাতে তার অসিয়ত কার্যকর হবে।
ঋণ পরিশোধের বিষয়টি একদিকে যেমন বাধ্যতামূলক, তেমনি হাদিস শরিফে এর ফজিলতের কথাও বর্ণিত হয়েছে। এতে প্রকারান্তরে যথারীতি ঋণ পরিশোধের প্রতি উৎসাহিতও করা হয়েছে।
ঋণ যথাসময়ে পরিশোধ করে দেওয়া কেবল পাওনা আদায় নয়, বরং এটা ওয়াদা রক্ষা করার অন্তর্ভুক্ত। সময়মতো যেন ঋণ পরিশোধ করে দেওয়া যায় এজন্যে হাদিসে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
একপর্যায়ে উহুদ পাহাড় তার দৃষ্টিগোচর হলে তিনি বললেন, ‘আমি চাই না- উহুদ পাহাড় আমার জন্যে স্বর্ণে পরিণত করে দেওয়া হলেও এর একটি দিনার আমার নিকট তিনদিনের বেশি সময় থাকুক; হ্যাঁ, যদি কোনো দিনার আমি আমার ঋণ পরিশোধের জন্যে রেখে দিই সেটা ভিন্ন। -সহিহ বোখারি: ২৩৮৮
হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) সাহাবাদের দোয়াও শিখিয়েছেন। দোয়াটি হলো-
দোয়া: اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلاَلِكَ عَنْ حَرَامِكَ ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَযারা সচ্ছল অবস্থায় শান্তিতে আছেন, তারা যেন কঠিন পেরেশানি, বড় বিপদ, বড় ঋণের বোঝা, অলসতা, অক্ষমতা ও কাপুরুষতার স্বীকার না হন, সেই জন্য নিয়মিত এই দুয়া পড়া উচিত। আর যারা এগুলোর শিকার হয়েছেন তারাও নিয়মিত এই দুয়া পড়ে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইবেন—
কখনো কখনো ঋণগ্রহীতাকে অসম্মানজনক আচরণের শিকার হতে হয়। তাই ঋণগ্রহীতা সবসময় চান দ্রুত ঋণ পরিশোধ করে অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে।
দ্রুত ঋণমুক্ত হতে সক্ষম হওয়ার জন্য রাসুল (সা.) কিছু আমল ও দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি ঋণ থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে অত্যধিক আশ্রয় প্রার্থনা করতেন।
একবার ঋণ থেকে রক্ষা পেতে প্রার্থনারত অবস্থায় এক ব্যক্তি বলেন,
‘হে আল্লাহর রাসুল! আপনি ঋণ থেকে খুব বেশি বেশি আশ্রয় প্রার্থনা করে থাকেন!’ নবী কারিম (সা.) বলেন- ‘মানুষ ঋণী হলে, কথা বলতে গিয়ে মিথ্যা বলে এবং অঙ্গীকার করলে, রক্ষা করে না।’ (বোখারি, হাদিস নং : ২৩৯৭)
ঋণগ্রস্ত থাকার সময় রাসুল (সা.) সব সময় বেশি বেশি এই দোয়া পড়তেন-
‘আল্লাহুম্মা! ইন্নি আউযুবিকা মিনাল কাসালি, ওয়াল হারামি, ওয়াল মা’ছামি, ওয়াল মাদরামি।’
অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অলসতা, অধিক বার্ধক্য, গুনাহ এবং ঋণ হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।’ (বোখারি, হাদিস নং ৬০০৭)
পর্বত সমপরিমাণ ঋণ থেকে মুক্তি লাভের দোয়া
একবার হজরত আলী রা.-এর কাছে এক ব্যক্তি তার ঋণ পরিশোধের জন্য কিছু সাহায্য চায়। এ সময় আলী রা. তাকে বলেন, আমি কি তোমাকে কয়েকটি শব্দ শিক্ষা দেব, যা আমাকে রাসুলুল্লাহ (সা.)শিক্ষা দিয়েছেন? যদি তুমি এটা পাঠ করো, তাহলে আল্লাহই তোমার ঋণমুক্তির ব্যাপারে দায়িত্ব নিবেন, যদি তোমার ঋণ পর্বতসমানও হয়।
এরপর আলী রা. ওই ব্যক্তিকে উক্ত দোয়া পড়তে বলেছিলেন। (তিরমিজি, হাদিস : ৩৫৬৩, আহমদ ১৩২১)
(2) «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ».
(আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনাল-‘আজযি ওয়াল-কাসালি, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনাল-বুখলি ওয়াল-জুবনি, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন দ্বালা‘য়িদ্দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজা-ল)।
১৩৭-(২) “হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষদের দমন-পীড়ন থেকে।”[2]
ফজিলত : হজরত আনাস রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) চিন্তাযুক্ত অবস্থায় উক্ত দোয়া পড়তেন। (বুখারি, হাদিস : ২৮৯৩)
[1] তিরমিযী ৫/৫৬০, নং ৩৫৬৩। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৮০।
[2] বুখারী, ৭/১৫৮, নং ২৮৯৩। তাছাড়া পূর্বে পৃষ্ঠায় ১২১ নং এ গত হয়েছে।
ঋণ মুক্তির এবং কোটিপতি হওয়ার শক্তিশালী আমল ! মিজানুর রহমান আজহারী। Mizanur Rahman Azhari ( Video )
যে দোয়া পড়লে পাহাড় সমান ঋণ থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ। - শাইখ আহমাদুল্লাহ ( Video )
রাসুল সা সালাতে ঋনমুক্তির জন্য দোয়া চাইতেন আর আপনি ঋন নিয়ে ব্যবসা করেন পুরো উল্টো by Abdur Razzaque ( Video )
Related Posts:
আপনাদের ব্লগ- Web Tech Info- এ স্বাগত জানাই ! আমি Zakir Hossain- ভালোলাগা থেকে লেখা লেখি শুরু করি। নিত্য নতুন প্রযুক্তিগত সমাধান জানার চেষ্টা করি এবং সবার সাথে শেয়ার করি। আমি ২০১৫ সাল থেকেই যুক্ত আছি টেকনোলোজির দুনিয়ায়। আমি পেশায় একজন চাকুরীজিবী। বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করছি। ব্লগ পড়তে ও আর্টিকেল লিখতে পছন্দ করি। আমার অবসর সময়ে ব্লগে বিভিন্ন টপিক লিখে অনলাইনে শেয়ার করে থাকি। আমার ব্লগিংয়ের অন্যতম উদ্দেশ্য আপনাদের কাছে শিক্ষামূলক ও প্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ার করা এবং ওয়েবকে তথ্য সমৃদ্ধ করা। পাবনা জেলাধীন ফরিদপুর থানার ডেমরা ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করি। ছোট বেলা ডেমরা ইউনিয়নে আমার লেখাপড়ার সময় কাটে। বর্তমানে চাকরীর সুবাদে ঢাকায় অবস্থান করছি। আমি সব সময় নতুন কিছু শিখতে এবং অন্যকে শিখাতে পছন্দ করি। যদিও আমি হিসাব বিজ্ঞানে অনার্স মাস্টার্স করে হিসাব বিভাগেই চাকরী করছি তথাপিও অবসর সময়ে ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ওয়েবসাইট ও ব্লগিং সম্পর্কে একটা ভাল অভিজ্ঞতা অর্জন করার চেষ্টা করছি। আমি কম্পিউটারের যে বিষয়টি পছন্দ করি সেটি হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং ওয়েব ডিজাইন তা সত্ত্বেও আমি বর্তমানে একাউন্টিং ফ্রিলাঞ্চিং নিয়ে কাজ করছি । ব্লগিং অভিজ্ঞতা দিয়ে আমি সব সময় আমার ব্লগটিকে ভাল অবস্থানে রাখার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করি।
ফেসবুক নিয়ে মাতামাতি ছাড়ুন, খুশি থাকুন
আরো খবর
- ➤ মুহূর্তেই খুশখুশে কাশি দূর করার ঘরোয়া উপায়
- ➤ কিভাবে ঘরে বসে সহজে টাকা আয় করা যায় ?
- ➤ অনলাইন ইনকাম ! অনলাইনে টাকা আয় করার সেরা উপায় ।
- ➤ বিবস্ত্র হয়ে ঘুমালে হতে পারে যেসব সমস্যা
অর্ধেককে ফেসবুক করতে দেওয়া হয়, অর্ধেককে ফেসবুক করা থেকে বিরত রাখা হয়।
এক সপ্তাহ পর দেখা যায়, যারা ফেসবুক করছিলেন না, তাদের মধ্যে ৮৮ শতাংশ স্বেচ্ছাসেবকই খুশি হয়েছেন।
যারা ফেসবুক নিয়মিত করছিলেন, তারা আরও নিজেদের আরও একাকী ও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত বোধ করছিলেন।গবেষকরা বলছেন, হাতে বাড়তি সময় থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে সামনাসামনি কথা বলুন।
গবেষকদের বক্তব্য, ” আমাদের কী চাই, তার উপর মনোযোগ দেওয়ার বদলে ফেসবুক আমাদের অন্যদের কী রয়েছে-তার উপর গুরুত্ব দিতে শেখায়।”
সংস্থার সিইও মাইক উইকিং বলছেন, “কয়েকদিন ফেসবুক করার কথা ভুলে নিজের কাজে মন দিয়ে দেখুন, আরও দ্রুত ও খুশি খুশি মনে আপনি আপনার কাজ শেষ করতে পারবেন।”
আরো পড়ুন :
প্রয়োজনীয় ওষুধগুলো নিজের সাথেই রাখুন
আপনি যেখানেই যান না কেন, প্রয়োজনীয় ওষুধগুলো নিজের সাথেই রাখুন। যেকোনো মুহূর্তে প্রয়োজন পড়ে যেতে পারে। মাঝে মাঝে এমন হতে পারে যে, আপনার হয়তো মাথা ব্যথা, হঠাৎ অ্যাসিডিটির সমস্যা হচ্ছে, একটা ওষুধ আপনার খুব প্রয়োজন; আপনার আশে পাশে কোথাও পাচ্ছেন না অথচ নিজের সাথেই থাকলে খুব উপকার হত, সেক্ষেত্রে ওষুধটা নিজের সাথেই থাকলে খুব উপকার হয়। এই ধরণের ওষুধকে ‘ওভার দ্যা কাউন্টার’ ড্রাগ বা OTC ড্রাগ বলে। কারণ এইসব ওষুধ ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই আপনি ফার্মেসি থেকে কিনতে পারবেন।
কিছু সমস্যা এবং সে সময় কি ওষুধ খাবেন তা জেনে নিন। ওষুধের জন্য সাথে ছোট একটা ব্যাগ বা নিজের হাত ব্যাগের সাইড পকেটেই ওষুধগুলো নিয়ে রাখতে পারেন।
মাথা বা অন্য কোথাও ব্যথা,জ্বরঃ
ব্যথার ক্ষেত্রে আপনি স্বল্প মাত্রার পেইন কিলার খেতে পারেন। যেমন অ্যাস্পিরিন, প্যারাসিটামল, অ্যাসিটামিনোফেন, ইবুপ্রোফেন, ন্যাপ্রোক্সেন। আর জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল ই যথেষ্ট।
তবে পেইন কিলারের প্রভাবে অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা দিতে পারে, এজন্য পেইনকিলার অবশ্যই ভরা পেটে খেতে হবে, আরও ভাল হয় একটা অ্যাসিডিটির ট্যাবলেটও খেয়ে নিলে, সেক্ষেত্রে অ্যাসিডিটির ট্যাবলেট (যেমন রেনিটিডিন বা ওমেপ্রাজোল) খাবার আগেই খেয়ে নিতে হবে।
পাশাপাশি মাথায় রাখতে হবে যে বড়দের ওষুধের ডোজ বা মাত্রা আর শিশুদের ওষুধের মাত্রার মধ্যে বিস্তর ফারাক। সেক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ মতো সঠিক মাত্রার ওষুধ শিশুকে দিতে হবে।
সাবধানতাঃ
অতিরিক্ত প্যারাসিটামল ও ব্যথার ওষুধ লিভার বা যকৃত এবং কিডনির ক্ষতির কারণ। এগুলি দীর্ঘদিন ধরে খেলে একই সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই খুব বেশী প্রয়োজন না পড়লে, এবং বেশি মাত্রার প্যারাসিটামল বা ব্যথার ওষুধ অকারণে খাওয়া উচিত না।
অ্যাসিডিটির সমস্যায়ঃ
অ্যাসিডিটির সমস্যার কারণে হঠাৎ বুক জ্বালা-পোড়া করলে,সেটা কমানোর জন্য অ্যান্টাসিড বা মিল্ক অফ ম্যাগনেসিয়া দুতিন চামচ খেয়ে নিতে পারেন। আর আরও অ্যাসিডিটি প্রতিরোধে একটা রেনিটিডিন বা ওমেপ্রাজোল খেয়ে নিলে আবার কষ্ট পাবেন না, পাশাপাশি ভাজাপোড়া ও তৈলাক্ত কাবার পরিহার করতে হবে।
কেটে গেলেঃ
র্ঘটনা বসত হঠাৎ হাতে-পায়ে কেটে- ছিলে যেতে পারে । সেক্ষেত্রে ব্যাগে ২-৩ টি ওয়ান টাইম ব্যান্ডেজ এবং অ্যান্টিসেপ্টিক ক্রিম রাখতে পারেন। যেমন ব্যাসিট্রাসিন ও নেওমাইসিন ক্রিম যা বাজারে নেবানল, নেবাসন, নিওসিন, নিও বি, নেব্রাসিন ইত্যাদি নামে পাওয়া যায়।
পুড়ে গেলেঃ
কোথাও পুড়ে গেলে বার্ন ক্রিম লাগাতে পারেন। যেমন সিলভার ক্রিম (বাজারে বার্না, সিলক্রিম, নিওজিন ইত্যাদি নামে পাওয়া যায়।)
কোথাও কেটে গেলে বা পুড়ে গেলে সেখানে দ্রুত জীবাণুর সংক্রমণ হয়। তাই তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নিলে জীবাণুর সংক্রমণ এবং ফলসরূপ যে পুঁজ বা ইনফেকশন হয় তা প্রতিরোধ ওরা যায়।
সাবধানতাঃ বেশি কেটে গেলে বা পুড়ে গেলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
পা মচকে যাওয়ার ক্ষেত্রেঃ
হাঁটতে গেলে, চলাফেলা করতে গেলে হঠাৎ বেখেয়ালে পা মচকে যায়। তখন হাঁটতে খুব কষ্ট হয়। সেক্ষেত্রে ব্যাগে ক্লোফেনাক বা ডাইক্লোফেনাক জেল ডাইক্লোফেনাক, কারিসোপ্রোডল বা ব্যাক্লোফেন রাখুন। এই ব্যথানাশক জেল গুলি আক্রান্ত জায়গায় দিনে দুতিন বার মালিশ করলে ব্যথা তাড়াতাড়ি কমে আসে। ।
অ্যালার্জির সমস্যায়ঃ
কারো কারো ডাস্ট অ্যালার্জি থাকে। হালকা ধুলো-বালিতে হাঁচি-কাশি শুরু হয়ে যায়। ডাস্ট অ্যালার্জি ছাড়াও অনেকের খাবারেও অ্যালার্জি থাকে। হঠাৎ করে হাঁচি-কাশির সাথে চোখ দিয়ে হয়তো পানিও পড়া শুরু হলো। সেক্ষেত্রে অ্যান্টিহিস্টামিন খেতে পারেন। সেট্রিজিন, লেভো-সেট্রিজ এভিল, হিস্টাসিন বা ফেনারগন জাতীয় ওষুধ এমন সমস্যায় ভালো কাজ দেয়।
প্রয়োজনীয় ওষুধগুলো হাতের কাছেই রাখুন। ঘরের বাইরে থাকলে হঠাৎ নিজের কোনো প্রয়োজনে বা অন্যের প্রয়োজনে ইমারজেন্সি মুহূর্তে এই স্বভাবটি চমৎকারভাবে উপকারে লেগে যাবে।
আমিন।
- সূরা ফাতিহার আরবি উচ্চারণ,বাংলা ও ইংরেজি অর্থ জেনে নিন।
- আয়াতুল কুরসির বাঙলা উচ্চারণ অর্থসহ
- সূরা আর রহমান এর উচ্চারণ ও বাংলা অর্থ
সূরা মূলক উচ্চারণ সহ বাংলা অর্থ
- আয়াতুল কুরসি বাংলা উচ্চারণ অর্থসহ
- কোরআন হাদিস থেকে নির্বাচিত ৮৭ টি দোয়া
- হাদিসের আলোকে প্রশান্তি লাভের উপায়
আপনাদের ব্লগ- Web Tech Info- এ স্বাগত জানাই ! আমি Zakir Hossain- ভালোলাগা থেকে লেখা লেখি শুরু করি। নিত্য নতুন প্রযুক্তিগত সমাধান জানার চেষ্টা করি এবং সবার সাথে শেয়ার করি। আমি ২০১৫ সাল থেকেই যুক্ত আছি টেকনোলোজির দুনিয়ায়। আমি পেশায় একজন চাকুরীজিবী। বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করছি। ব্লগ পড়তে ও আর্টিকেল লিখতে পছন্দ করি। আমার অবসর সময়ে ব্লগে বিভিন্ন টপিক লিখে অনলাইনে শেয়ার করে থাকি। আমার ব্লগিংয়ের অন্যতম উদ্দেশ্য আপনাদের কাছে শিক্ষামূলক ও প্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ার করা এবং ওয়েবকে তথ্য সমৃদ্ধ করা। পাবনা জেলাধীন ফরিদপুর থানার ডেমরা ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করি। ছোট বেলা ডেমরা ইউনিয়নে আমার লেখাপড়ার সময় কাটে। বর্তমানে চাকরীর সুবাদে ঢাকায় অবস্থান করছি। আমি সব সময় নতুন কিছু শিখতে এবং অন্যকে শিখাতে পছন্দ করি। যদিও আমি হিসাব বিজ্ঞানে অনার্স মাস্টার্স করে হিসাব বিভাগেই চাকরী করছি তথাপিও অবসর সময়ে ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ওয়েবসাইট ও ব্লগিং সম্পর্কে একটা ভাল অভিজ্ঞতা অর্জন করার চেষ্টা করছি। আমি কম্পিউটারের যে বিষয়টি পছন্দ করি সেটি হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং ওয়েব ডিজাইন তা সত্ত্বেও আমি বর্তমানে একাউন্টিং ফ্রিলাঞ্চিং নিয়ে কাজ করছি । ব্লগিং অভিজ্ঞতা দিয়ে আমি সব সময় আমার ব্লগটিকে ভাল অবস্থানে রাখার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করি।



